আগরূগ ঘর্বন[শ

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

অসীম ১০/এ, বাঁঙ্কম চ্যাটবজ্জর্শ স্ট্রিট কলিকাতা ৭০০০৩

প্রথম সংস্করণ £ ৬লা ফেব্রুয়ার?, ১৯৬২

প্রকাশক ভোলানাথ দাস

সুপ্রীম পাবালশার্সপ

১০/এ, বাঁঙকম চ্যাটাজ্জশ স্ট্রীট কাঁলকাতা ৭০০০৭৩

প্রচ্ছদ 25 গণেশ বসন

মুদ্ুক £ গোপালচন্দ্র পাল

স্টার ধপ্রানণ্টং প্রেস

২১/এ, রাধানাথ বোস লেন কলকাতা ৭০০০০৬

উৎসর্গ

নিরঞ্জন হালদারকে

অপন্পপ জর্ধনাশ

তান ধূতির ওপর খদ্দরের লং কোট পরে বছলেন। তাঁর এখন আটান্ন বছর বয়েস, গত চাল্লশ বছর ধরে [তান এই একই পোষাক পরে আসছেন মাঝে বার সাতেক ?বদেশ ঘুরে এসেছেন, তখন শীত নবারণের জন্য উলের পোষাক পাঁরধান করতে হয়েছিল

তিনি প্রায় ছঃ কুটের কাছাকাছ লম্বা, শরীর এখনো খজু, মাথা ভাঁতি চুল, সামান্যই পাক ধরেছে প্রশস্ত কপাল, পুরু লেন্সের চশমা, ঠোঁটের ভাঙ্গতে একটু বক্ততা আছে, যাতে অহংকারঠর ভাব আসে, 1কন্তু তাঁর হা।স1ট এখনো নির্মল তাঁর নাম সত্যপুক্দর আচায“। এটা তাঁর আসল নাম নয়, সন্বঘাসীরা যেমন নাম বদলায় 1তাঁনও তেমাঁন অনেকাঁদন আগেই নতুন নাম গ্রহণ করে পৃর্বনাম বিস্মৃত হয়েছেন। তাঁর এক সীমা এখনো বেচে আছেন, একমান্র ?তাঁনই তাঁকে রাজ, বলে ডাকেন

1তাঁন গাড় থেকে নেমে লিফটের কাছে এসে দাঁড়ালেন লিফট তখন ওপরে, আর অপেক্ষা না করে সশড় ?দয়ে উঠতে লাগলেন, ততক্ষণে একজন আদাঁলি পাগলের মতন লিফটের বেল িপছে। [তি সটান উঠে এলেন তিন তলায় তন চারজন বেয়ারা-আদ্াল ব্যস্ত সমস্ত হয়ে তাঁর কামরার দরজা খুলে দল সসম্দ্রমে। কেউ অবশ্য নমস্কার অথবা সেলাম করলো না তান প্রথম [দিন এসেই সকলকে ডেকে বারণ করে 1দয়েছেন

1ত'ন তাঁর চেয়ারে বসে টোবিলে ঢেকে-রাখা জলের গেলাসে চুমুক '?দলেন। পকেট থেকে একটা ছোট চামড়ার বাক্স বার করলেন তাতে চার পাঁচটা চুরুট, একটা বেছে নিয়ে ধরালেন যর করে, প্রথম বার ধোঁয়া ছেড়ে ঠতাঁন আপন মনেই বললেন বাঃ।

সত্যসুন্দর আচার্য কেন বাঃ বললেন 2 এক একটা চুরঃট থাকে, যেটা থেকে ঠকছুতেই সহজে ধোঁয়া বেরুতে চায় না। যত দামী চুরুটই হোক, তার মধ্যে একটা রকম থেকেই যায়। হয়তো চুরুটের সামান্য একটু ঠাণ্ডা লেগেছে, অথবা কোথাও রয়েছে একটা সুক্ষ ছদ্রু। যাদের চুরুট খাওয়ার অভ্যেস আছে, তারাই শুধু বুঝতে পারবে, এই ধরনের চুরুট ধরাবার পর রকম মেজাজ খারাপ হয়ে যায় অপর পক্ষে চুরুটের প্রথম টানেই সাবলীল ধোঁয়া এলে মেজাজ পাঁরতৃপ্ত হয় তান ?ক সেই কারণেই বাঃ বললেন !

1কংবা এমনও হতে পারে, তানি তাঁর সম্পূর্ণ জীবন সম্পকেই পারতৃপ্ত। কোথাও কোনো গ্লানি নেই জীবনে কোথাও পরা?জত হননি, তাই 1নজেকে শোনালেন কথাটা অথবা এমনও হতে পারে, ইদানীং মধাাহ ভোজনের পর একটু একটা বায়ুর চাপ দেখা দেয়, আঙ জপ খেয়েও সেই বায়ুর আন্তত্ব বোধ করলেন না বলে উচ্চারণ করলেন আনন্দের টীন্তু।

মোট কথা, এই বয়েসেও, সত্যসন্দর প্রায়ই ?নজের সঙ্গে কথ! বলেন।

চুরুট হাতে ানয়ে তান উঠে এলেন জানালার কাছে তাঁর আঁফপের এই ঘর।টর অবস্থান খুব ভালো জানলা 'দয়ে দেখা যায় কলকাতার সবচেয়ে সুন্দর জাগার এক টুকরো দশ্য। ইডেন গাড়েনস, কেল্লার ধারের প্রান্তর, গঙ্গা, কয়েকাঁট বিদেশী জাহাজ অনেকখান আকাশ

1দন1ট সুন্দর, শীতকালের ঝকঝকে রৌদ্রের দুপুর, অল্প অল্প নরম হাওয়া

জানলায় কোনো শুক নেই, তান বাইরের দিকে একটু ঝুকে দেখতে লাগলেন সেই দ:শ্য, পুনরায় বললেন, ওরা বেশ আছে।

কারা?

গঙ্গার পা*্ববিতাঁ স্টাশ্ডে এই দুপরবেলাতেও কয়েকজন তরুণ তর.ণঈকে হাঁটতে দেখা যায় কয়েকজন বেণ্টের অনেকখানি

5

জায়গা রেখে বসেছে খুব পাশাপাশি তাঁর আঁফস থর থেকে এই দৃশ্য বেশ দূর তবু মোটামুটি বোঝা যায়। তিন ঠিক তরুণ তরুণীদের দিকেই তাঁকয়ে নেই আউটগ্রাম ঘাটের 1ঠক পাশেই বেদে বেদেনীদের কয়েকটা তাঁবু পড়েছে বছরের এই সমঞ্টা প্রাত বারহ ওরা আসে, নানা জাতের কুকুর [বাক্ত করে ওরা গন্ডারের খড়া এবং বাদ্বের অণ্ডকোষ 1নয়েও নাকি গোপনে কারবার করে এমন শোনা যায়। এখন দুপুরবেলা ঘাঘরা পরা বেদেনীরা ফুটপাথের ওপরেই উনুন জবালিয়ে রানা চাপিয়েছে-াখদ্ঁড়িতে এত বেশী হলুদ ঢেলেছে যে গাঢ় হলুদ রং দূর থেকেও বোঝা যায়। নদীর বুকে অনেক ছোট ছোট নৌকো একটা নৌকোর দুদক থেকে দ1ট কিশোর ছেলে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ছে, স্রোতের সঙ্গে লড়াই করে সাঁতার কেটে আবার ফিরে আসছে এই. রকম খেলায় ওরা অনেকক্ষণ মেতে আছে

এই সব দংশ্য কছুক্ষণ চোখে রেখে তানি আবার ফিরে এলেন চেয়ারে এখন কাজে বসবেন।

ভারত সরকার সদ্য যে তৃতীয় ভাষা কাঁমশন বাসয়েছেন, তাতে সত্যস,ন্দর চেয়ারম্যান নিযুস্ত হয়েছেন এক বছর-দেড় বহরের কাজ। সারা জীবনে 1তানি কক্ষনো বাঁধা চাকার করেন নি, তবে এই ধরনের কাজ 1নতে হয়েছে মাঝে মাঝে

1ত1ন কয়েকাঁট ফাইল খুলে িপোট পড়তে লাগলেন। চশমাটা বদলে কাছে দেখার চশমাটা পরে 1নয়েছেন। এখন তাঁর ঠোঁটটি আরও বাঁকা দেখায়, সেই জন্য বেশঈ অহংকারী মনে হয় অপরের লেখা যে-কোনো [জানিস পড়তে গেলেই তাঁর ভেতরে এই রকম একটা অবহেলার ভাব আসে

কয়েক মাস পরেই পূর্ব ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে ঘ্বুরতে হবে তাঁকে, সাক্ষী নিতে হবে অনেক লোকের ।॥ তিনি সেই জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। আফসে এবং বাঁড়তেও তাঁর স্তী লীলা মফ:স্বলে বেড়াতে ভালোবাসে না। সত্যসহন্দরের সঙ্গে তাকে ভারতের

হু জায়গায় এবং বাইরের নানা দেশে ঘুরতে হয়েছে, তবু তার মধো ভ্রমণের নেশা ধরোন াবশেষত মফঃস্বলে সন্ধের পর যে জন জীবন, তা তার সহ্য হয় না। যাঁদও, সত্যাসংন্দর যেখানেই যাবেন, প্রত্যেক জায়গাতেই সাকিট হাউসে তাঁর জন্য আগে থেকে রিঞ্জাভেশন থাকবে, খাওয়া থাকার কোনো অসাবধে নেই, এবং ইচ্ছে হলেই [তান সরকার গাড়তে যে-কোনো বিখ্যাত দশ্য, সংরাক্ষত অরণ্য বা দুর্গম জলপ্রপাত দেখে আস্তে পারেন। ললার ওসবও ভালো লাগেনা। লীলা সবচেয়ে অপছন্দ করে অচেনা মানুষ সত্যসুন্দর যে-কোনো জায়গায় গেলেও বহু লোক আসে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে, তাদের সঙ্গে আলাপ পাঁরচয়ের একঘেয়োমতে লীলা আতন্ঠ হয়ে ওঠে লঈলার বয়েস সত্য- সন্দরের অ্ধেক--এই ব্যাপারে বাইরের লোকের কৌতূহলের শেষ নেই।

সত্যসুন্দর হকম দয়ে রেখেছেন, লশীলাকে যেতেই হবে তার সঙ্গে লালা প্রবল আপাত্ত জানয়েছে। কিন্তু আরও দু মাস সময় আছে--এতাদন ধরে লালা সত্যসুন্দরের অনড় আদেশের সঙ্গে যুঝতে পারবে না।

সত্যসংন্দর বেল বাজালেন। আদিল এসে দাঁড়াতেই তানি বললেন, প্রবীর চক্রবতরীকে ডাকো

(তান কখনো তাঁর সংকমর্শদের প্রবীরবাবু বা বিমলবাবু বলেন না; আদালদের কাছে বলেন না চক্রবতন সাহেব বা সেন সাহেব তাঁস অনেক রকম বাতিক আছে এরকম গঞ্প আছে যে,তিন এক- বার কেন্দ্রের এক মন্ত্কে হঠাৎ ধমক দিয়ে বলেছিলেন, যে বিষয়ে মানুষ কম জানে, সে বিষয়ে বেশী কথা বলা তার উচিত নয়

সত্যসুন্দর ইংরোজ এবং জামনি ভাষায় গবেষণা গ্রন্য লিখে- হেন যৌবনে তান আফগানগ্তান সীমান্ত ধরে পায়ে হেটে রুশ দেশে ?গয়োছলেন এক সময় সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে তাঁর কিছু যোগাযোগ ছিল। পরবতর্শকালে রাজনীতির সঙ্গে সমস্ত

দম্পক' 1ছন্ন করে তান জ্ঞানচচয়ি মন দেন। ভাষাতত্তের সাহায্যে সামাজিক ইতিহাস ?নমাণের বঝাপারে তিনি পাথবীর প্রধান পাণ্ডতদের মধ্যে একজন তান দুঃসাহসী পুরুষ? তিব্বত বেল7াচস্থানে তান কয়েকবার বেশ বিপদে পড়ো ছিলেন, একা- [ধিকবার প্রাণ সংশয় হয়েছিল, রীতমতন রোমাঞ্চকর জীবন এক শতাব্দী আগে জন্মালে তিনি অবশ্যই একজন দেশবরেণ্য হতে পারতেন যুগেও, যাঁদ [তান ধর্মপ্রচার 1কংবা রাজনীতিতে নামতেন, তা হলে সাড়া ফেলে দতে পারতেন অনায়াসে কিন্তু 1তঃন ঘোর নাঁন্তক এবং মানবতা টানবতা ইত্যাঁদ বড় বড় কথাকে উপহাস করেন।

আদালি এসে জানালো, প্রবীর চক্রবতর্শ তখনও লাণ্ থেকে ফেরেন ন।

সত্যসংন্দর বললেন, আচ্ছা

[তান টোবিলে পাতা ব্রটারের ওপর ছেলেমানুষের মতন লাল পোঁন্সিল [দয়ে 1হ1জাবাঁজ কাটতে লাগলেন, তারপর বাংলা ইংরোজতে দহ” বার লিখলেন, লাগ ?তানি ভাবছেন, লা কথাটার কোনো যুৎসই প্রাতশব্দ পাওয়া গেল না। আর খুজে লাভ নেই বোধ হয় মধ্যাহ্ন ভোজন চলবে না, অন্য কোনো খউমটো শব্দের তান বরোধন তবে, 1টাঁফন কথাটার একটা চমৎকার প্রাতশব্দ 1ছল, জল খাবার, 1কন্তু সেটাও তো চললো না তেমন বাড়তে অনেকে এখনও জল খাবার খায় বটে, ?1কন্তু আফস থেকে বোরয়ে কেরানীরা সবাই 1টাঁফন খেয়ে আপে ! আদা লরাও [ট1ফন করতে যায়।

সাড়ে 1তনটে বাজে, প্রবীর এখনো লাণ্ থেকে ফেরে নি, তার মানে সে আর আফসে নাও আসতে পারে সত্যসুন্দর তার সমস্ত নহকম্খদের বলে দিয়েছেন, যে যখন খুশী আফসে আসতে পারে, যখন খুশী চলে যেতে পারে তার কাছে কারুর ছহাট চাইবার দরকার নেই। তান জোর করে কাজ করানোতে বিবাস

করেন না। প্রত্যেক তন মাস অন্তর যার ষেটুকূ কাজের দায়ত্ব দেওয়া আছে তান পরাক্ষা করে দেখেন আশানুরপ অগ্রগতি না দেখলে তিনি এক কথায় ছাঁটাই করে দেন। এটা পুরোপার সরকারশ আঁফস নয়, সব কমই নযযন্ত হয়েছে অস্থায়ী ভীত্ততে সত্যসৃন্দর আগে থেকেই শর্ত করে নিয়েছেন, তাঁর নিদে'শের ওপর আর কোনো আমলাতন্ত্রী খবদারি চলবে না

প্রবীরকে ?তানই চাকার 'দিয়েছেন। ছেলোট 'লঙ্গুইসটিকসে সদ্য ফল করে বেকার বসেছিল মাঝে মাঝে আসতো তার বাড়তে পড়াশুনোর 1বষয়ে আলোচনা করবার জন্য করুকম অনেকেই আসে তবে, প্রবীর আবার ললার বাপের বাঁড়র দিকে রকম যেন আত্মীয় হয়, তাই একট বেশ সুযোগ পেয়োছল

সত্যস:ন্দর প্রবীরকে বলোছলেন পায়ে হে*টে সারা ভারতবষ* একবার ঘুরে আসতে বই পড়া ?বদ্যে যা হবার তা তো হয়েছে। এখন মানুষের সঙ্গে না মিশলে, মানুষের 1বাভন্ন রকম ভাষার হের ফের লক্ষ্য না করলে এই 'বদ্যা শিক্ষার স্বার্থকতা 1ক ? সত্যস,ন্দর নিজেও এই রকম ভাবে শিখেছেন- এগারো টি ভাষায় 1তাঁন অনগণল কথা বলতে িখতে পারেন এই প্রত্যেকাট ভাষাই, মাতৃভাষার মতন, তান আগে কথা বলতে শিখে তারপর ব্যাকরণ জেনেছেন

প্রবীর এই প্রস্তাবে রাজ হতে পারে নি তার পারবারক ভরণ পোষণের প্রশ্ন আছে তাকে চাকার করতেই হবে।

সত্যসূল্দল 1ব্রন্ত হয়োছলেন তবু, লশলার অনুরোধে 1তাঁন প্রবীরকে দিয়েছেন এই চাকার

অভাব আঁভযোগ এবং দাঁরদ্ের কথা শুনলে তিনি ঘৃণা বোধ করেন তিনি জানেন, পহাথবীতে অনেক গরীব লোক আছে, গকন্তু তাদের সঙ্গে তান কোনো সম্পক্ণ রাখতে চান না। ইাতহাস নিরীক্ষা করে 'তনি দেখেছেন, মানৃষের মধ্যে িবরাট এক শ্রেণী গরখব থাকবেই কোনো দেশে খেতে না-পাওয়ার স্তরের পধন্তি

গরীব আর কোনো কোনো দেশে খেতে-পাওয়া গরশীব | ছাড়া আছে এক সর্বব্যাপী মানাসক দাঁরদ্যু। যে মানুষ যে-কোনো উপায়েই হোক এর থেকে 1নজের চেষ্টায় বোরয়ে আসতে না পারে মানুষ হসেবে সে, সত্যসুন্দরের চোখে নগণ্য

সত্যসুন্দর এই রকম ভাবেন, তার কারণ 1তাঁন বাল্যকালে ছিলেন বাস্তর ছেলে অন্তত কয়েকটা বছর বাঁন্ততে কাটিয়েছেন। চুরির দায়ে যে-সময় সত্যসূন্দরের বাবা জেল খাটাছিলেন। মিথ্যে আভযোগ নয়, সাঁত্যই ট্রর করেছিলেন তাঁর বাবা, আফসের টাকা ভেঙে রেস খেলতেন সত্যসুন্দরের তখন তের বছর বয়েস, 1বপদে পড়ে তাঁর মা তাঁর কাকাদের কাছে ?গয়োছলেন সাহায্য চাইতেন কাকারা কিছু টাকা 'দয়ে সাহাধ্য করোছিলেন বটে 1কন্তু সেই সঙ্গে এমন অপমান করোছলেন যে সেই তের বছরের ছেলেই রাগে জলে উঠোছল বাইরে বোরয়ে এসে তিনি কাকাদের বাড়ির দেওয়ালে থুতু ফেলে হথাঁক্ুফের মতন বলেছিলেন, একাদন এই বাঁড় আম ভেঙে ফেলবো

তখন কলকাতা 1ব*্বাবদ্যালয়ের এলাকা 1াবশাল, তার মধ্যে তান ম্যাত্রক পরাঁক্ষায় সেকেন্ড হয়োছলেন। বাঁন্তবাসী ছেলের এরকম চমকপ্রদ রেজাজ্ট করার ঘটনায় খবরের কাগজের লোকেরা এসোছিল তাঁর ছাঁব নতে। কন্তু এমনই গোঁয়ার ছিলেন সত্য- পুন্দর যে রেজান্ও বেরুবার পর তান আত্মহত্যা করতে গিয়ে- 1ছলেন পর্যন্ত ফার্ হতে পারেন 1ন বলে তাঁর আত্মাঁভমানে দারুণ আঘাত লেগোছল এর পর তান ?নজের জীবনযাপনের উন্মাদনায় মা ভাইবোন সকলকে পারত্যাগ করে চলে গেছেন। সকলেই মনে করে, তাঁর শরণরে দয়া মায়া কম।

সত্যসঃন্দর আবার আপন মনে বললেন এরা আমাকে চেনে না।

1তাঁন আবার বেল বাজালেন। আদালি আসতেই বললেন, 1বমল সেনকে ডাকো

1বমল সেন মোটা-সোটা চেহারার মাঝ বয়সী লোক। অনেক-

কাল অধ্যাপনা করেছেন খুব বেশণ উচ্চাকাত্ক্ষা নেই, জীবনে যা পেয়েছেন, তাতেই পাঁরতৃপ্ত টালগঞ্জে দু” কাঠা জামির ওপর একটা বাড়ি বানাচ্ছেন, আঁফসের কাজের চেয়ে সেই বাঁড়র চন্তাতেই 1তাঁন আধকাংশ সময় মগন থাকেন তাঁর চারাঁট ছেলে- মেয়ে লেখাপড়ায় তরতর করে এাঁগয়ে যাচ্ছে একটি তো চাকাঁরর বাজারে এলো বলে!

[বমল সেন চেয়ারে বসবার পর সত্যসুন্দর তাঁকে বললেন, কারুর সঙ্গে আমার কথা বলার ইচ্ছে হচ্ছে বলেই আপনাকে ডেকোছি। আঁফসের কোনো কাজে নয়। আপনার হাতে কি জরহীর কোনো কাজ ছিল?

বিমল সেন বললেন, না, সে রকম [কিছু না। ট্রাইব্যালদের রিপোটটা তৈরী করছিলাম, কাল করলেও চলবে !

সত্যসন্দর হেসে বললেন, কাল কেন, পরশু হলেই বা দোষ 1ক। সবাই জানে, এসব সরকারণ কাঁমশনের আঠারো মাসে বছর কোনো কাঁমশনই তো আড়াই বছর তন বছরের আগে শারপোর্ট দেয় না।

-আমরা দেড় বছরের মধ্যেই সব শেষ করে ফেলতে পারবো !

-সেই রকমই তো কথা দিয়েছি ইচ্ছে করলে সময় বাড়ানো যায়। সেটাই তো উাঁচত, বলেন !

_না, তেমন কোনো দরকার তো দেখাছ না।

-আপনার অস্যাবধে নেই নকন্তু ছেলে ছোকরারা তো আবার বেকার হয়ে পড়বে প্রবীর, যশপাল, মৃধা-এরা তো ডেপুটেশানে আসেনি আপনার মতন।

হাঁ, প্রবাঁর বলাছিল ওর একটা পাকা চাকার বশেষ দরকার বাড়তে অনেক লোকজন।

--তাও তো বয়ে করে ন।

--ওর বাবা মারা গেলেন গত বছরে, বয়স বেশ হয়নি, আপনার চেয়েও কম বয়েস ছিল।

১০

_-ঠিক আছে, আবার তো একটা কাঁমশন বসবে তখন আম ভাতে না থাকলেও প্রবীরের নাম সুপারশ করে দেবো যাঁদও আমার মনের ইচ্ছে ছেলেটার ঘাড় ধরে মধ্যপ্রাচ্যের মরুভামতে ছেড়ে 1দয়ে আস সেমেটকদের ভাষা [নয়ে ওর কোনো প্রত্যক্ষ জ্ঞানই হলো না।

1বমল সেন একট. চুপ করে গেলেন। সত্যসংন্দর আচার্ধর এইসব পাগলা মর কোনো জবাব দেওয়া যায়না যার মাথার ওপরে একটা সংসারের দায়ত্ব সে ল্যাঙ্গোয়েজ স্টাডি করার জন্য 1মডল ইস্টে ধাবে, এটা কি একটা সংস্থ লোকের মতন কথা ?

সত্যসুন্দর বললেন, ছোকরার চেহারাটা তো সন্দর। 1সনেমায় নামার চেষ্টা করলেই পারে মুখ চোখ ভালো 1কল্তু চেহারায় কোনো ব্যাস্তত্ব নেই-এই রকম নায়কই তো ীসনেমায়**,

স্যার, আপান 1সনেমা দেখেন 2

_ প্রায়ই তো দোখ বাংলা, 1হন্দী। তা ছড়া, জানেন, আম 1নজেও একবার 'ফিলমে কাজ করোছিলাম।

- সাঁত্য £

_হ্যাঁ। তখন আমার ছাব্বিশ সাতাশ বছর দনের বেলা 1ব্রাটশ মউাজয়ামে পড়াশুনো করি, আর সন্ধের পর সোজা সোহো পল্লীর একটা হোটেলে বাসন মেজে 1দয়ে দুটে। খেতে পাই। আমার খিদেটা বরাবরই বেশী পেটের জবালা নিয়ে কি আর পড়াশুনো করা যায়? থাকি একটা বাড়র আযাটকে--সে বাড়টাতে আবার গস 1গস করে বেশ্যারা, অনেক রাত পযন্ত হে হল্লা -

1বমল সেন মুখ নঢু করলেন। প্রখ্যাত পণ্ডিত এবং আফমের সবেচ্চি পদাধকারনীর মুখ থেকে বেশ্যা শব্দটা অনায়াসে বোরয়ে এলেও তাঁর কানে লাগে যে-কোনো মধ্/াবন্ত বাঙালীর মতনই তাঁর নৌতকতা আত প্রখর

সত্যসহন্দর বললেন, এই সময় কিছু উটকো রোজগার হয়ে

১১

গেল। জে আথাঁর র্যাক-এর কম্পান একটা এীতহা'সক 1[ফিলম তুল[ছল--এীতহাসক মানে গাঁজাখুঁর আর ক-যাই হোক, তাতে ভিড়ের দৃশ্যে শত শত লোক দরকার ছল--পাড়া থেকে আমাদের অনেকেরই সুযোগ [মলে গেল, 1দনে পাঁচ পাউণ্ড ধরা চূড়ো পরে দৌড়োদৌড় করতে হতো তলোয়ারের ঘা খেয়ে মরে যাওয়ার অভিনয় ছিল আমার কতবার যে মরলাম একবার করে মৃত্যু যন্ত্রণায় চিৎকার করে শুয়ে পাড় আর ওরা বলেষে, ছবি তোলা 1ঠক হয়াঁন, আবার মরতে হবে আম গ্রীক ভাষা জান, একবার গ্রীক ভাষায় একটা কাতোরোন্ত করেছি বলে পাঁরচালকের 1ক রাগ ! হা-হা-হা হা

_ ছবিটার নাম 1ক স্যার ?

_সে সব মনে নেই তবে, সব শুদ্ধ পণ্সান্ন পাউশ্ড রোজগার হয়োছল, ভালো খাবার দাবারও দিত- সেই টাকাটা সম্বল করেই কায়রো চলে এসোছলাম,হয়েরো গ্লীফকস সম্পকে প্রত্যক্ষ আঁভ- জ্ঞতা নিতে সেই সময় ডঃ কুনও কায়রোতে, পাঁরচয় হয়ে গেল-

হঠাৎ থেমে গেলেন সত্যসুন্দর তারপর একট,ক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, দুহাখত আমাকে মাপ করবেন

[াবমল সেন সচাঁকত ভাবে মুখ তুলে তাকালেন দু, চোখে প্রশ্ব।

সত্যসূন্দর বললেন, আম খুব দুঃখিত ানজের জাবন কাহনন জোর করে অপরকে শোনানো একটা খারাপ ব্যাধ। বার্ধক্যে এই রকম ব্যাঁধ বেশী দেখা দেয়। আমার আগে রকম ছল না-_ |

1বমল সেন প্রাতবাদ করে বললেন, না, স্যার, দারুণ ইন্টা- রেস্টং লাগাছল আপনার জীবনে এত সব আভজ্ঞঘতা আছে। আপান এবার একটা আত্মজীবনী [লখুন না।

_-আমার জীবনী অন্য লোকে জেনে !ক করবে !

--এতকাল ধরে আপান-যা সণয় করেছেন, তার ভাগ যাতে

অন্যরা পেতে পারেন বৃটিশ পাণ্ডতরা অনেকেই আত্মজীবনন লেখেন-_ আমাদের দেশে রকম ট্র্যাঁডশন নেই -

- আমার আগ্রহ হয় না।

_-আপাঁন তো বহু দেশ ঘ্‌রেছেন, ছোট ছোট ভ্রমণ কাঁহনীর আকারেও যাঁদ লেখেন-টয়েনবী সাহেব যেমন লিখেছেন ফ্রম অক্সাস যমুনা-_

সত্যসুন্দর আর বষয়ে কোনো কথা বললেন না। প্রসঙ্গ 1ফারয়ে বললেন, এই ঘটনাটার এই জন্য উল্লেখ করলাম যে, পড়া- শুনো করতে গেলে যেকোনো উপায়ে টাকা রোজগার করা দরকার। অর্থ চিন্তা থাকলে জ্ঞান চচ করা যায় না। আর টাকা রোজগারের জন্য চুঁর-ডাকাতি ছাড়া যে-কোনো উপায়ই গ্রহণ করা উাঁচত। আম তো কিছদন ব্যবসাও করোছিলুম

ীবমল সেন জানেন, সত্যসংন্দর রশীতিমতন ধনাঢ্য লোক শুধু বই লিখে এত টাকা হতে পারে না। মানুষটির মধ্যে অসাধারণত্ব আছে সন্দেহ নেই, কিন্তু ঠিক যেন শ্রদ্ধা করা যায় না। পাশ্ডিত্যের সঙ্গে এমন ভোগবাদ দর্শন মানায় না যেন ঠিক।

সত্যসুন্দরের একাঁট মন্তব্যে ববমল সেনের মনের মধ্যে অনেকক্ষণ কুরকুর করছিল এবার সুযোগ পেয়ে তানি জজ্ঞেস করলেন, স্যার, আপান যে বললেন, আর একটা ভাষা কামশন বসবে, সে রকম কছু খবর পেয়েছেন ?

সত্যসুন্দর এবার হাসলেন তারপর বললেন, বসবে না? আপনার 1 মনে হয় 2

_মানে এটা এখনো শেষ হলো না। এর মধ্যেই আর একটা

-এই তো দেশের নিয়ম আমাদের এই কাঁমশনের 1রপোর্ট তৈরি হলে, আপনার 1ক ধারণা, সেটা জনসাধারণের মধ্যে প্রকাশ করা হবে 2 ?িংবা সরকার সেটা মানবে ? আমাদের রপো্ অনুযায়ী কাজ করতে গেলে উত্তর-পূর্ব ভারতের 'বাঁভন্ন অণুলে

১৩

আবার ভাষা দাঙ্গা লেগে যাবে সেটাকে ধামা চাপা দেবার জন্য আবার একটা কাঁগশন তাতে আবার অন্তত দহ, তিন বছর কাটবে এই রকমই তো চলে আসছে

1বমল সেন একটু [বষপ্ন ভাবে বললেন, কোনো ফল হবে না জেনেও আমরা তা হলে কাজ করছি কেন 2

_আপাঁন মন খারাপ করছেন নাকি ? উ* হু,» এটা ঠিক নয়। গীতায় তো একটা মোক্ষম বাণী ঝেড়ে দিয়ে গেছে, কমেই আপনার আ'ধকার, ফলাফল 1নয়ে মাথা ঘামাবেন না।

__-এটা খুব সগ্কীর্ণ অর্থ করা হলো না?

-আপনার মনমতন বৃহৎ অর্থ করে নান মোট কথা, আত্ম- গ্লান ভালো নয় আগে থেকে ববেক পরিচ্কার রাখাই স£াবধা- জনক আম এই বুঝ যেজ্ঞান চচা শুধু াীজের [বিশুদ্ধ আনন্দের জন্য। এর সঙ্গে জীবকা বা অন্ন সংস্থানের ব্যাপার জাঁড়য়ে ফেললে 1কছ [কছ? নাঁচতার আশ্রয় ?নতে হবেই দেখেন না, কত লোক সরস্বতীঁকে নিয়ে বানরীর মতন নাচিয়ে বেড়ায়

এই রকম একটা বদ্যাসাগর মশাইও বলেছিলেন বটে, তবু বমল সেনের ঈষৎ সংস্কারগ্রস্ত মনে এই প্রকার উৎপ্রেক্ষা একটা ধাক্কা দেয়। [তিনি উঠে পড়বার জন্য উসখুস করেন

সত্যসল্দর তখনও তাঁর মুখের 1দকে তাকয়ে আছেন বলে একটা ?কছ: বলতেই হয়। প্রায় কিছ? না ভেবেই 1তাঁন তা বলে ফেললেন, স্যার, আপনার মতে মানুষের জীবনের উদ্দেশ্য ক?

সত্যপুল্দরের চোঁটটা আবার বে'কে গেল অথাৎ এটা একটা খুব বাজে প্রশ্ন সামান্য লোকেরাই এই ধরনের কথা বলে

তানি সংক্ষেপে উত্তর 1দলেন, আনন্দ যে-রকম ভাবে আনন্দ পায়।

--আপনি তা পেয়েছেন ?

_হ্যাঁ পেয়োছ। একটা কৃলি আনন্দ পায় সন্ধের পর গঙ্গার ধারে বসে গাঁজা টেনে, আর আমি আনন্দ পাই অন্য গ্রন্যকারের

১৪

যুক্তি খণ্ডন করে। তবে, আনন্দের তো শেষ নেই। বাঁক জাঁবনটাও সেই আনন্দেরই অনুসন্ধান করে যাবো

--তা হলে যারা ডাকাতি করে িকংবা মানুষ খুন করে।

_হ্যাঁ। তাদের যতক্ষণ না কেউ অন্য আনন্দের সন্ধান "দিচ্ছে, তারা ?নয়ে থাকবেই চিরকালই রকম দেখা গেছে তবে, ডাকাতও সন্নযানী হয় এক সময়-_-এ রকম উদাহরণও নেই 2

ঝনঝন করে টোলিফোন বেজে ওঠায় আলোচনা আর এগুলো না। 'বমল সেন এই সঘোগে উঠে পড়লেন

সত্যসন্দরের বনদেশি দেওয়া আছে যে,বশেষ জরা ব্যাপার না হলে অপারেটার যেন তাঁর ঘরে টেলিফোন না বাজায়

টোলফোন করেছে স্ত্যসৃল্দরের স্ত্রী লীলা

সত্যসূন্দর কণ্ঠস্বর মধুর করে প্র«্ন করলেন, কি, এতক্ষণে দবা নিদ্রা ভাঙলো ?

লশলা£ আজ দুপুরে ঘুমোই ?ন। সারা দুপুর জেগে আজ শরংচন্দ্রের শেষ প্র্ন” বইখানা পড়লাম। আগে পাঁড়নি তো।

সত্যসুন্দর £ শরৎবাবুর সৌভাগ্য কেমন লাগলো

লীলা £ একদম বাজে শুধু বকবকান

সত্যসুন্দর £ তোমার বচারবুদ্ধর ওপর আমার শ্রদ্ধা হচ্ছে।

লীলা £ এই, তুম আজ কখন '?ফরবে বাড়তে £

সত্যসুন্দর যথারশাত সাড়ে ছ'্টায়।

লীলা £ সাড়ে পাঁচটা কি পৌনে ছ' টায় আসতে পারো না?

সত্যসন্দর কেন ?

লশলা £ 1থয়েটার দেখতে যাবো ভাবছি “রাজা অয়াদিপাউস, নাক খুব ভালো হয়েছে তোমারও ভালো লাগবে

সত)সুন্দর $ আজ অন্য কোনো সঙ্গী জুটলো না?

লীলা £ কাকে আর পাবো তুমি চলো, লক্ষনাটি। তোমার ভালো লাগবে, গিয়েই দেখো না।

১৬

সত্যসুল্দর £ ভালো লাগার জন্য কষ্ট করে 1থয়েটার হল: পযন্ত যেতে হবে কেন 2 নাটকখানা বাড়তে বসে পড়লেই তো একই আনন্দ পাওয়া যায় আম পাই। |

লীলা ধ্যাং! যাবে কনা বলো!

সত্যসুন্দর £ আচ্ছা, আম বাড়তে যাচ্ছ তারপর মনাশ্থর করবো সত্যসুন্দর টোলিফোন রেখে দিয়ে আবার চুরুট ধরালেন।

আটশ উনাত্রশ বছরের কোনো নারশ বা পুরুষ আটান্ন বছরের কোনো রাসভার৭ ব্যান্তকে তুমি সম্বোধন করে এমন চটহলভাবে কথা বলে না। নজের স্ত্রী হলে আলাদা কথা ললা আবার সত্যসন্দরের তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী

সত্যস-ন্দর চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন আপন মনে বিড় বিড় করে বললেন, সকলের আনন্দ এক রকম নয়।

॥২।

সত্যস:ন্দর প্রথম বয়ে করেন আটাব্িশ বছর বয়েসে সে ছল একট জামণন ষুবতাঁ। দৈত্য পত্রীর মতন চেহারা--সত্য- ন্দরের সঙ্গে বেশ মানিয়েছিল তব 1বয়েটা তিন বছরের বেশণ 1ট”কলো না। চার বছরের মধ্যেই বিবাহ ববচ্ছেদ হয়ে গেল। ওলগা তার পরেও আরও দ7" বার 1বয়ে করেছে সব 'মালয়ে এখন তার 1তনটি সন্তান, তার মধ্যে একটিও সত্যসন্দরের নয় ওলগা এখনো সত্যসন্দরকে ডাদিং সম্বোধন করে চিঠি লেখে। তাঁর "দ্বতীয় স্ত্রীর নাম ছিল লালা পরাঞ্জপে। মারাঠা মেয়ে, ছোট্রখাটো চেহারা, দারুণ ব্াদ্ধমতী এবং স্নেহ পরায়ণা লীলা পরাঞ্জপে হয়ে উঠোছিল সত্যসংন্দরের যোগ্য সহধমিনী। স্বামীর কাজে সব রকম সাহায্য করতে পারতো সে, আবার তাঁর সব রকম পাগলা মিও মেনে নিত সত্যসন্দরের শারীরিক কামনা- বাসনা অত্যন্ত প্রবল

১৬

আপাতপক্ষে সত্যপংন্দরকে বেশ স্বাঞ্থপর মনে হয়। নিজের ভালো লাগার ওপর 1তাঁন বড় বেশী জোর দেন, পাঁরপাশ্রিক সম্বন্ধে প্রায় অন্ধ, ীনজেকে বাদ 1দয়ে বাঁক জগংসংসার সম্পর্কে তাঁর একটা পারহাসাঁমাশ্রত 1নিষ্ট ধারণা আছে। 1তনি নিজে কারুর কাছে যেমন কখনো কৃপা চাইতে যান 1ন, তেমান তাঁর কাছে কেউ দয়া দাক্ষিণ্য চাইতে এলে 1তাঁন অত্যন্ত কঠোর ব্যবহার করেন। তবে, তান সজ্ঞানে অন্তত অন্য কারুর কোনো কাজে বাধার সৃন্টি করেন না।

সত্যসন্দর দাঁরদ্ুযু প্রাতক্‌ল অবস্থার সঙ্গে লড়াই করেও শেষ পযন্ত ?জতৈছেন, এখন তাঁর ইচ্ছে মতন জীবনযাপন করার সুযোগ আছে-নীকন্তু এটা যে প্রকাতির সাধারণ 'নয়ম নয়, একটা ব্যাতন্রম মাত্র, এটা (কিছুতেই মানতে চাইবেন না। যারা নিজস্ব পারবেশ থেকে বোরয়ে আসতে পারোন, তাদের 1তাঁন করুণা করেন।

লালা পরাঞ্জপেও 1ছল সাধারণ ঘরের মেয়ে তবু বহ রকম সংস্কার কাটয়ে উঠে সে সত্যসুন্দরের মন জয় করতে পেরোছল।

সত্যসুন্দর বাচ্চা ছেলে মেয়ে পছন্দ করতেন না আগে বাচ্চা কাচ্চার ঝামেলা ?নয়ে সংসার করা তাঁর মতন লোককে মানায় না। 1কম্তু লঈলা একট সন্তান চেয়োছল সেই সন্তানের জন্ন দিতে 1গয়েই লীলা মারা যায়। তখন লীলার বয়েস সাঁইত্রিশ বছর--এ বয়েসে প্রথম সন্তান হলে একটু ?বপদের ঝুশুক থাকেই লীলার মৃত্যুতে সাঁত্যকারের আঘাত পেয়োছলেন সত্যসন্দর বাচ্চাটা বেচে ছিল আরও পাঁচাদন। তারপর থেকে অন্যের বাচ্চাদের দেখলে সত্যসুন্দরের হাত আদর করার জন্য এাগয়ে যায়।

বাহানন বছর বয়েসে ?তাঁন তৃতীয়বার বয়ে করলেন। এই মেয়েটির নাম আগে ছল সাঁবতা। তান নাম বদলে লীলা রেখেছেন প্রথমত, মেয়েদের নাম হসেবে সাঁবতা--তাঁর কাছে

অস-২ ১৭

একটা অসহ্য ব্যাপার তাছাড়া, তাঁর আগের স্ব লণলার স্মাতকে [তান টাকিয়ে রেখেছেন এই ভাবে এর নাম অন্য কিছু রাখলে [তান নিশ্চয়ই মাঝে মাঝে একে ভুল করে লগলা বলে ডেকে ফেলতেন।

লীলা বাঙাল হলেও উত্তরপ্রদেশে মানুষ বাঙালগ সংস্কৃতির সঙ্গে খুব বেশী যোগ নেই। সত্যসল্দর লক্ষেমীতে উত্তর প্রদেশ সরকারের হয়ে আর একটা কাজ করাঁছলেন যখন, সেই সময় লশলা তাঁর কাছে চাকার করতে আসে সরল সাদাসিধে মেয়ে, খানিকটা অসহায় চেহারা বেশ সভত্রী। হঠাৎ পাঁরবারক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে 1গয়োছল ওদের অনেকগুলো ছোট ছোট ভাই বোন।

লীলা অথধ্ি সাঁবতা কাজকর্ম কিছুই জানতো না, সামান্য দং, ছন্র ইংরোঁজ 1লখতে গেলেও তিনটে বানান ভুল সত্যসন্দরের [ববেচনায় তাকে আবলম্বে চাকার থেকে বরখাস্ত করা উচিত

সত্যসুন্দর একদিন তাকে নিজের কামরায় ডেকে সোজাসুজি বলোছিলেন, তোমাকে আর চাকার করতে হবে না। তোমাকে কয়েকটা কথা বলছি, মন দয়ে শুনে দু” দন পরে উত্তর 1দও তুম ইচ্ছে করলে আমার বাড়তে থাকতে পারো আমার বাড়তে কোনো আত্মীয়স্বজন নেই সংসারের ভার তোমাকেই £নতে হবে দু তনজন দাস-দাস আছে, তারা তোমার হুকুম শুনবে তোমার 'বলাসতার জন্য ভালো হাত খরচ পাবে। তোমার কোনো কিছুই অভাব থাকবে না। আম তোমার জন্য শক্ষক রেখে দেবো -_তার কাছে পড়াশুনো করবে এতে তুমি রাজ কিনা ভেবে দেখো ঢনজে আগেই বাবা-মাকে জিজ্বেন করার কোনো দস্কার নেই

অপমানে লঙ্জায় লীলা ঘাড় হেট করে ছিল মুখখানা টকটকে লাল সত্যসুন্দর ঘা বললেন, তার একটাই অথ হয়। 1ত1ন মেয়োঁটকে রক্ষিতা রাখতে চাইছেন সাধারণ খের মেয়েরা বরং অসহায় অবস্থায় পড়লে আজ্মহত্যা করে 1কন্হু প্রকাশ্যে অসতী

১৮

হতে চায় না। তা ছাড়া, পারিবারক বন্ধন এমন তীব্র ষে বাবা- পরের মনে কম্ট দেবার কথা ভেবেই তারা অনেক সাধ আহমাদ বসর্জন দতে পারে অনায়াসে

সত্যসংন্দর এটা একটু বাদে বুঝতে পেরে দুঃত সংশোধন করে ানলেন বানজেকে বললেন, অথাৎ আম তোমাকে 1বয়ে করতে চাই

ব্যাপারটা 1নয়ে বেশ সোরগোল পড়ে গিয়োছল। সম্মানিত ব্যান্ত সত্যসঃন্দর আচাষ" তাঁর চেয়ে তিরিশ বছরের ছোট একটি নেয়েকে বিয়ে করছেন, এর চেয়ে সরস আলোচনার 1বষয় আর [কি হতে পারে 'ীকন্তু আলোচনা খটকা টিগ্পাঁনর স্তরেই সেটা [নিবদ্ধ থাকে- কারণ, যেহেতু বয়ে, তাতে বাধা দেবার উপায় নেই কোনো

সত্যসূন্দর ?কছুই গ্রাহ্য করেন ন। বয়েসের প্র্নটা খুবই অবান্তর তাঁর কাছে যৌবনকে খুব বেশী সম্মান দেবার কোনো অথ থাকে না। যৌবনে বুদ্ধি অপাঁরণত থাকে তান তো হাজার হাজার ঘুবককে দেখছেন সাধারণ একটা 'বচারবৃদ্ধ পর্ধন্ত নেই। আর শারশীরক [দক থেকেও তিনি যুবকদের থেকে কম কিসে 2

সেই বাহান্ন বছর বয়েসেও তরি স্বাস্থ্য অটুট কোনো রোগ ব্যাঁধ নেই 1সশাঁড় ভেঙে অনায়াসে পাঁচ ছ” তলা উঠতে পারেন, পাঁরশ্রম করতে পারেন অসুরের মতন তাঁর সঙ্গে পাঞ্জা লড়লে বহু যুবক হেরে যাবে তাঁর যৌন ক্ষমতাও আগেরই মতন আছে একমান্র একট কথা উঠতে পারে, কোনো যুবক স্বামীর তুলনায় সত্যসুন্দরের আগে মৃত্যু হতে পারে তা হোক না। তান তাঁর স্ত্রীর জন্য ষথেম্ট অর্থের সংস্থান রেখে যাবেন। তাছাড়া, দেশে বিধবা [ীববাহ আইন চালু আছে লীলা স্বহন্দে আবার 1বয়ে করতে পারে, তেমন 1কছ? হলে

নারশহীন গৃহ সত্যসূন্দর সহ্য করতে পারেন না। শুধু

১৯

চাকর-বাকর-ঠাকুর নিয়ে পুরুষশা'সত সংসারে থাকলে স্বভাব রুক্ষ হয়ে যায়। সত্যসুন্দর মাঝে মাঝে নারীসঙ্গ কামনা করেন। পড়াশুনো করতে করতে এক এক সময়ে মাথার মধ্যে একটা আঁস্থর তা দেখা দেয়, তখন নারাঁর স্পর্শে অপরপ শান্তি পাওয়া যায়।

এই বয়েসে বিয়ে করার বদলে সাঙ্গনী 1হসেবে কোনো নারী পেলেও তাঁর চলতো কিন্তু এদেশে বিবাহ বন্ধনহীীন অবস্থায় কোনো নারীর সঙ্গে একত্রে বাস করার রেওয়াজ আজকাল আর নেই গত শতাব্দীতে ছিল, ইওরোপে এখন এটা খুবই স্বাভাবিক যাই হোক, সতাসুন্দর তো আর সমাজ সংস্কার করতে চান না, তাই খৃতাঁন বিয়েই করতে রাজ 1ছলেন।

দুশদন বাদে লীলা এসোঁছল তার বাবাকে সঙ্গে নয়ে। লালার বাবা তো কৃতার্থ একেবারে ! বয়ে হয়োৌছল খুব অনাড়ম্বরভাবে সত্যসুন্দর চেয়োছিলেন ললার বাপের বাঁড়র সঙ্গে সব সম্পর্ক একেবারে চুকিয়ে দয়ে তাকে দূরে সারয়ে নিয়ে যেতে পুরোপনাঁর সক্ষম হন নি। এখনে। সেখান থেকে হণ্তাৎ হঠাৎ কেউ এসে উদয় হয়।

লীলা প্রথম প্রথম সত্যসুন্দরের কাছে আড়্১ হয়ে থাকতো অচেনা স্বামীকে চনে বানতেই সময় লাগে আর 1কছবাদন আগেই যান ছলেন তার আকফসের বড় কতা হঠাৎ তাকে স্বামী 1হসেবে পাওয়ায় মানিয়ে নিতে তো সময় লাগবেই

সত্যসুন্দর লীলার ভয় ভাঙাবার জন্য কতরকম যে ছেলে- মানুষী করেছেন, তার ঠিক নেই। তান তো শুধু নারীমাংস চানান, চেয়োছলেন একজন কোমল সরিনী স্তর সামনে [তান একেবারে শিশুর মতন হয়ে যেতেও রাজ যুবক স্বামীদের মতন ঠতান লীলাকে নিয়ে সন্ধেবেলা বেড়াতে বোরয়েছেন। হান- মুন করতে গেছেন সমহদ্রের ধারে মেয়েদের শাড়ী সম্পকে দুঝলি- তার কথা জেনে ?তাঁন লীলার শাড়ী গয়না বষয়ে কোনোরকম

ক্ষোভ রাখার সুযোগ রাখেন নি।

স্ত্রীকে চোখে চোখে রাখার বাতিকও তাঁর নেই। লঈলাকে 1তাঁন যথেচ্ছ স্বাধীনতা 1দয়েছেন সে তার বন্ধুদের সঙ্গে যখন খুশী দেখা করতে যেতে পারে আত্ীয়-অনাত্মীয় যুবকদের সঙ্গে সনেমায় যায়। তাঁর ছান্র বা তরুণ সহকমপদের সঙ্গে তান সব সময়েই লীলার আলাপ কাঁরয়ে দেন। 1তাঁন জানেন, জল. যেমন জলকে টানে, তেমান যৌবনও যৌবনের দিকে আকার্ধত হবেই লীলার যাতে কোনো অভাব বোধ না থাকে, সোঁদকে তাঁর সজাগ দ-্ট লীলার প্রাত এতাঁদনে তাঁর একটা স্নেহামীশ্রত ম।য়া জন্মে গেছে।

লীলাও অনেক বদলে গেছে এখন | স্বামীর প্রাত তার টান অসম্ভব তীব্র। অনেক সময় সে আভমান করে, ঝগড়া করে, রাগের চোটে ?জীনসপন্র ভাঙে-আবার এক সময় সত্যসুন্দরের বুকে ঝাঁপয়ে পড়ে কাঁদতে বাঁদতে বলে, তুম আমাকে বকো না কেন? তুম এত ভালো কেন? আম মোটেই তোমার যোগ্য নই !

সত্যসূন্দর হাসেন তখন এই সুন্দর খেলনাটি তাঁকে বড় আনন্দ দেয়

লালা খুব একটা রুপসী নয়। গায়ের রং বেশ চাপা, নাক চোখেও খুব বশেষত্ব নেই, কিন্তু তার স্বাস্থ্যাট চমৎকার এবং প্রাণচাণ্চল্য আছে

সত্যসুন্দর বছরের বেশীর ভাগ সময়ই কাটান দাল্লতে কলকাতা বা পাশ্চম বাংলা সম্পর্কে তার বিশেষ কোনো আলাদা টান নেই তান এত বেশী সময় বাইরে বাইরে কা?টয়েছেন যে, যেকোনো জায়গাতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। তবে কলকাতায় তার একটা বাঁড় আছে।

[নিউ আলপুরে অন্প জাঁমর ওপরে তিনতলা বাঁড়। এক তলাতে বসবার ঘর, রান্না ঘর এবং [পসামার ঘর। সত্যসন্দরের

২১

অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন সব মরে ঝরে গেছে, তান কারুর সম্পকে" মাথাও ঘামান না-াকিন্তু এই 1পসামাটিকে ফেলতে পারেনাঁন। ইন খুজে খুজে দিজ্লীতে গিয়েই সতানুন্দরকে খুজে বার করে ছিলেন। দোতলায় চারখাঁন ঘর, তার মধ্যে একাট লীলার, বাকিগুলো বইপন্রে ঠাসা 1তিনতলায় একটি মাত্র ঘর, সেটা সত্যসংন্দরের নিজস্ব আঁধকাংশ সময় তাঁন এই ঘরেই কাটান তাঁর শোওয়ার খাটও এখানেই প্রথমবার জামনি রমণনকে বিয়ে করার পর থেকেই [তান স্বামী স্ত্রীর দৈহিক সম্পক তো কোনো নয়মের মধ্যে পড়ে না। এটা আনন্দের ব্যাপার আনন্দেরও বিশেষ বিশেষ মুহূত্ত আছে কখনো তিনি লীলাকে ঘরে ডেকে আনেন কখনো লীলা নিজে থেকেই মাঝরাতে ওপরে উঠে এসে বলে, আজ আমার ভয় করছে

বাইরের লোক খুব কমই একতলা ছেড়ে দোতলা 1তনতলায় ওঠে গণ্যমান্য লোকেরা এলেও সত্যসূন্দর তাঁদের সঙ্গে কথা- বাতার জন্য বেশী সময় খরচ করেন না। তবে লীলার বন্ধু- বান্ধবরা তার সঙ্গে ওপরে এসেই কথা বলে সত্যসমন্দরের প্রয় 1শব্য বা ছাত্র বা ঘাঁনষ্ঠ সহকমর্স কেউ কেউ আসে [িতিনতলার ঘরে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যেমন আসে প্রবীর

লীলা লক্ষে্মীয়ের মেয়ে খুব অল্প বয়েসে একবার মান্র কলকাতা এসোছিল তখন কলকাতা [ছল তারচোখে একটা স্বপ্নের স্বর্গপুর)।। ীবয়ের পর স্বামীর সঙ্গে দাতনবার কলকাতায় এসেও তার সেই ধারণা বদলায় ন। এই নোংরা, ?ভড়ে ভাত শহরটাকে সে ভালোবেসে ফেললো তা ছাড়া এখানে আছে তাদের 1নজের বাঁড়। নজের বাঁড়র প্রাতি মেয়েদের সাঞ্ঘাঁতক টান থাকেই নজেদের এমন সুন্দর বাঁড় ফেলে হিল্লিদিজিল থাক- বার কোনো মানে হয়? সেইজন্যই একবার কলকাতায় এলে সে আর সহজে বাইরে যেতে চায় না।

বাঙালণ সংস্কাঁতর সঙ্গে লীলার তেমন কোনো যোগাযোগ

২২

ছিল না। কলকাতায় আসবার পর সে পড়তে শুর করেছে বাংলা বইপত্র, বাংলা 1সনেমা নাটক--সবই তার দেখা চাই। সত্যসুন্দরের বাংলা ভাষা-প্রীতি থাকলেও তাঁর রুঁচ বোধ তাঁকে এইসব [সনেমা [থিয়েটার সম্পকে বিমুখ করে তবু লীলার কোনো সঙ্গী না থাকলে 1তাঁন অগত্যা যান তার সঙ্গে

লীলা অবশ্য প্রায়ই সঙ্গী পেয়ে যায়। এখানে এসে সে তার: যত রাজ্যের দ্‌র সম্পকেরি আত্মীয়-স্বজনদের খুজে বার করেছে। একজন দুজনকে পাওয়া গেলেই সেই সূত্রে বা?করাও আসে। লীলা তাদের বাড়তে প্রায়ই ডেকে আনে, নেমন্তন্ন খাওয়া, হৈ চৈ করে 1সনেমায় যায়।

সত্যসুন্দর যে এরকম ভাঁড় পছন্দ করেন না, তা লালা জানে। তবু সে গ্রাহ্য করে 'ান। সতাসুভ্দরও শুধু মৃদু আপাতত জানয়েছেন, বাধা দেনান তেমনভাবে

সত্যস,ন্দর ঠিকই করে রেখেছেন, এই কাঁমশনের কাজ শেষ হয়ে গেলে ভান আবার কলকাতার পাট তুলে দেবেন লালাকে নয়ে তানি বোঁরয়ে পড়বেন আবার হ্মালয়ের 'বাভন্ন অণ্ুলে বছর দ..য়েক কাটাবেন ! ভারতের বাভন্ন অণ্লের সাধুরা যে 1হমালয়ে এসে আশ্রয় নেয়, তাদের মধ্যে প্রাদোশকতা আছে 1কনা _স্টে অনুসন্ধান করে দেখার ব্যাপারে তাঁর ?বশেষ আগ্রহ আছে। এদের যোগাযোগের মাধ্যম 1কভাবে গড়ে ওঠে, এদের খাদ্যাভাস 1কভাবে গড়ে ওঠে, এদের খাদ্যাভাস 1কভাবে বদলায়, তা জানা দরকার এই 1বষয়ে ?বশেষ কোনো কাজই হয়ান।

প্রত্যেকীদন আফস থেকে সোঞ্জা বাঁড় 1ফরে আসেন সত্যসুন্দর সরকার থেকে তাঁকে একটা গাঁড় দেওয়া হয়েছে। গাঁড়খানা চাব্বশ ঘণ্টা ব্যবহারের জন্য।

বাঁড় ?ফরে তান একতলায় তাঁর পসীমার খবর নেন একবার বদ্ধার চোখের দৃম্টি ক্ষীণ হয়ে এসেছে, তাই 1তাঁন সতাসন্দরের গায়ে হাত বলয়ে কথা বলেন। সেই লোলচর্ম

৮৬৩.

বদ্ধার হাতের স্পর্শে বহ্যাদনের পুরোনো স্নেহ লেগে আছে তান হাত বুলোতে বুলোতে বলেন হ্যাঁ রে রাজু, শরশরের যত্ব ?নস তো ঠক মতন ? বাবাঃ, যা মাথার কাজ করতে হয় তোকে বৌমাকে বালিস, যেন রোজ থানকুনি পাতার রস করে দেয় তোকে

লখলা এই [পসশীকে দেখতে পারে না। কোনো খোঁজ খবরও নেয় না। +পসাঁ কন্তু কোনাদনই লীলা সম্পকে একটি অভিযোগও করেনান।

সত্যসংন্দর দোতলায় উঠে এসে উণক মারেন লীলার ঘরে সত্যসূন্দর আফস থেকে ফেরার আগেই লশলা গা ধুয়ে সেজেগুজে থাকে ভূরুতে কাজল, শাড়ীর সঙ্গে রং মেলানো টিপ আঁকা কপালে

স্বামীকে দেখে লীলা জানলার ধারের চেয়ার ছেড়ে উঠে আসে তাদের জানলা দিয়ে অদূরে একটা ফটেবল মাঠ দেখা যায়, সেখানে গায়ে ধুলো কাদা মাথা যুবকেরা ফুটবল নিয়ে লড়াই করে প্রত্যেক বিকেলে রোজ দেই খেলা দেখতে দেখতে লীলা ফুটবল খেলার ভক্ত হয়ে গেছে রীশতিমতন

সত্যসূন্দর স্ত্রীর গালে একটা টোকা 1দয়ে জিজ্ঞেস করেন, লীলাময়ী, আজ প্রোগ্রাম ?

লশলা প্রত্যেকাঁদন নতুন নতুন প্রোগ্রাম বানায় সন্ধ্যেবেলা সে বাইরে বেরুবেই বকেলবেলা সে ঘরের মধ্যে খাচায় ভরা! একটা সুন্দর পাখির মতন ছটফট করে চলাত 1সনেমা-ীথয়েটার নিঃশেষ হয়ে গেলেও সে খবরের কাগজের বিজ্ঞাপন দেখে দেখে গানের জলসা, ম্যাঁজক শো ইত্যাঁদ যাহোক একছু খুজে বার করে। এসবের জন্য সে অন্য সঙ্গী খুজে নেয় এসব 1কছু না থাকলে সে স্তাসুন্দরকে 1নয়েই বেড়াতে বেরোয়

গঙ্গার ধারে ?কংবা বালীগঞ্জের লেকে যেতে সত্যসুন্দরের মন্দ লাগেনা টাটকা হাওয়ার একটা আলাদা স্বাদ জাছেই।

২৪

সব জায়গায় বহু অল্প বয়েসী যুবক যুবতাঁদের দেখতে পাওয়া যায়, মনে হয় কত লঘু তাদের জাঁবন। এরকম বয়েসে সত্যসন্দর একদিনের জন্যও বিরাম পানাঁন।

লীলা যোঁদন অন্যদের সঙ্গে বিনেমা-ীথয়েটারে যায়, সোঁদন 1তাঁন উঠে আসেন তিনতলায় তশর 1নজের ঘরে তণর ঘরের সঙ্গেই বাথরুম আছে। স্নান করার আগে তান [কিছুক্ষণ ব্যায়াম করে নেন। সকালে সন্ধ্যায় ব্যায়াম করা তণর বহাঁদনের অভ্যেস একমাত্র চোখ ছাড়া শরীরের আর কোনো অঙ্গ প্রতাঙ্গে তশর কোনো খত নেই

স্নান সেরে জামা কাপড় বদলে [তিনি আরাম কেদারায় বসেন। এখানে জানলা 1দয়ে বহুদূর দেখা যায়। খুব একটা সুন্দর দশ্য 1কছ; নয় বড় বড় ঝকঝকে নতুন বাঁড়র ধার ঘ্বেষেই পুরোনো বান্ত। রাস্তায় ষখন তখন দ্্যাফক জ্যাম বই খুলে বসলেই সত্যসংন্দরের ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্বচ্ছন্দে কেটে যায় ॥। মাঝে মাঝে তান ঠানজের মনে 'িড়াবড় করেন। রাত দশটার সময় লীলা 1নজে তখকে ডাকতে আসনে খাবার থেতে যাওয়ার জন্য

একাঁদন রাত ন'টা আন্দাজ সত্যসুন্দরের মাথার মধ্যে হঠাৎ নাচন করে উঠলো ?নজের ঘরেই তান বই [নিয়ে বসোছলেন। এই প্রকার অনুভূতিতে একটু 1বরন্ত হলেন কণাঁদন ধরেই মাথার মধ্যে এরকম [চনাচন করে উঠছে মাঝে মাঝে ছাড়া সবর্ষণ একট] মাথা ধরার ভাব সারা জীবনে সত্যসুন্দর অসুখ টসুখে এত কম ভূগেছেন যে, সামান্য কিছু হলেই 1তাঁন ?নজের ওপর রেগে যান। যেন এটা তাঁর অক্ষমতা

চোখের জন্য মাথা ধরার ব্যাপারটা অবশ্য নতুন কু নয়। সত্যসূন্দর ভাবলেন চশমার পাওয়ার আবার বাড়াতে হবে। এই এক ঝামেলা ! যাই হোক, আপাতত মাথা-ধরার একটা 1কছু ওষুধ এখন খাওয়া দরকার

সত্যসন্দর নিজের ঘরে ওষুধ পত্তর 1কছুই রাখেন না।

লীলার ঘরে পাওয়া যেতে পারে ন'টা বেজে গেছে, লীলা এতক্ষণে সিনেমা দেখে ফিরেছে !

সত্যসুন্দর নেমে এলেন নীচে, লশীলর ঘরের দরজা ভেজানো ছিল স্বামী কখনও স্ত্রীর ঘরে ঢোকার আগে শব্দ করে জানান দেবার প্রয়োজন মনে করে না।

সত্যসূন্দর দরজা ঠেলে এক পা বাঁড়য়ে থেমে গেলেন।

লীলার বুক থেকে শাড়ীর আঁচল খসে গেছে তার নগ্ন কোমরে প্রবীরের হাত লীলার ওত্ঠাধর স্ফীরত, চোখ জলজ,লে, সে প্রবীরের বুকে মাথা হেলান 'দয়ে আছে তারপর বোঝা যায় সে কাঁদছে একটু একটু প্রবীরের বুকে ছোট ছোট কল মেরে সে বলছে, কেন? কেন? কেন?

সত্যসন্দর স্থানু হয়ে গেলেন তাঁর গলা 1দয়ে একট স্বরও বেরুলো না ওরা দঃ'জনে তাঁর দকে 1ফরে তাকাবার পরও 1তাঁন সরে যেতে পারলেন না। তাঁর যেরকম শারীরক শান্ত তাতে ক্রোধের বশে তান এই ছেলেমেয়ে দহাটিকে 1ছ*ড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারতেন। 1তাঁন কিছ করলেন না।

বরং তাঁর মনে হলো, গলার কাছে তাঁর কোটের বোতামটা এক্ষীন না খুলে ফেললে তাঁর দম বন্ধ হয়ে যাবে এক্ষ্যান। বোতাম খোলার জন্য তিনি হাত তুলতে চাইলেন পারলেন না। তান অসহায়ভাবে ঝুপ করে পড়ে গেলেন মাটিতে

|| |!

একজন ডান্তার এসে আরও দুজন ডান্তারকে ডেকে পাঠালেন 1তনজন ডান্তার শলাপরামর্শ করলেন অনেকক্ষণ ধরে সত্যসন্দরকে হাসপাতালে পাগাবার ব্যাপারে ডাক্তারদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল একজন ডাক্তারের মতে সত্যপুন্দরকে তাঁর নিজের বছানায় শাঁন্ততে মরতে দেওয়াই ভালো আর একজন ডান্তারের মতে হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথেই সত্যসুন্দরের মৃত্যু হলে দায়ী

৮১৬.

কে হবেঃ তৃতীয়জন জেদ করতে লাগলেন

জ্যান্ত অবস্থাতেই পি 1জ হাসপাতালে পেশছোলেন সত্যসুন্দর। সবাইকে অবাক করে তারপরেও দনের পর 1দন বেচে রইলেন এক সপ্তাহ পরে তাঁর সামায়ক ভাবে জীবন সংশয়ও কেটে গেল।

সত্যসন্দরের সবাঙ্গে পক্ষাঘাত হয়ে গেছে বাকশান্তও নেই কিন্তু মীস্তক ঠিক আছে তান তাঁকয়ে তাঁকয়ে সব কু দেখেন, সব বুঝতে পারেন 1কন্তু কোনো মতামত প্রকাশ করতে পারেন না। সামান্য অঙ্গীল হেলনের ক্ষমতাও তাঁর নেই

দশাঁদন পর দেখা গেল, সত্যসূন্দর সামান্য ঠোঁট নাড়তে পারছেন। তার অর্থ কিছুই বোঝা যায় না। তবু নড়ছে যে তাতে কোন সন্দে নেই তখন সকলেরই আশা হলো, সতাসংন্দর হয়তো আস্তে আস্তে আবার সব ক্ষমতা ফিরে পাবেন এরকম হয়। মানাসক জোর থাকলে এটা অসম্ভব 1কছু নয়। হঠাৎ দেখা যাবে রোগী একেবারে সুস্থ হয়ে গেছে। আর সত্যসুন্দরের মনের জোরের কথা তো স্াবাদূত |

হাসপাতালের পাঁরবেশ রোগীর মানাঁসক স্বাক্থ্ের পক্ষে উপকার নয় বলে একমাস বাদে সত্যসুন্দরকে বাড়তে ?নয়ে আসা হলো স্ট্রেচার বাহকরা তাঁকে নয়ে এলো দোতলায় লীলার ঘরে শোওয়ানো হলো লীলার খাটে

লীলা আর একখানা ঘরের বইপত্র সারিয়ে সেখানাকেও বাস- যোগ্য করে তুললো একজন নার্স ঠিক করা হয়েছে তবে আকাস্মক বিপদের আশংকা নেই বলে নার্স রাত্তরে থাকবে না, শুধু 1দনের বেলা

সত্যসুল্দর আঁধকাংশ সময়েই চোখ বুজে থাকেন। কখন ঘুময়ে আছেন, আর কখন জেগে, তা বোঝা যায় না। নার্স তাকে ফাডিং কাপে করে খাইয়ে যায়, ঘরের দরজা জানলা বন্ধ করে সত্যস্‌ন্দরের গা মুছিয়ে দেয়। সত্যসুন্দর তখনও চোখ বুজে থাকেন।

২৭

স্যার, স্যার

কুণ্ঠিত ডাক শুনে সত্যসূন্দর চোখ মেলে তাকালেন। প্রবীর তাঁর মাথার কাছে এসে দাঁড়য়েছে।

__স্যার, আপনাকে [ছু বলার মুখ নেই আমার তব যাঁদ আমাকে একটু সুযোগ দেন, যাঁদ আম বুঝিয়ে বাল।

সত্যসংন্দর নিবাঁক, ীনস্পন্দ, স্থির দৃঙ্টি।

সত্যসুন্দর ভাবলেন, এখন রাত ক'টা হবে 2 দশটা 2 সাড়ে দশটা ? নার্স বাঁড় বাবার আগে তাঁকে রাত্রির খাবার খাইয়ে গেছে। সেতো যায় ন'টার সময় ॥। অনেকক্ষণ আগেই চলে গেছে। প্রবীর এখনো ধায়ান কি রাত্তরে এখানেই থাকে 2

প্রবীরের মুখখানা ভশীতাঁবহ্বল। অসন্ত, অপহায় সত্য- সন্দরকেও সে ভয় পাচ্ছে।

প্রবাঁর বললে, স্যার, আপনি আমাকে ভাবছেন, জান না। আম ঈশবরের নামে শপথ নিয়ে বলাছ।

সত্যসূন্দরের যাঁদ হাসার ক্ষমতা থাকতো তো তানি হাসতেন এই সময়। ভয় পেয়ে ছেলেটার মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই ভুলে গেছে সে, সত্যসূন্দর সারাজীবনে কখনো ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন নি। তাই ঈশবরের 'দাব্যির কোনো মূল্যই নেই তাঁর কাছে।

__-লীলা'দ আমার মাসামার মেয়ে আপন মাসী না হলেও গুকে আম ঠিক নিজের দাদর মতন্ই দোঁখ।

সত্যপুন্দর ভাবলেন, মানুষ এতো (নবেধি হয় ঠক করে ? তাঁর অসুখের আগেও প্রবীর লীলাকে বৌদ বলে ডাকতো! আজ হঠাৎ দাদ বলতে শুরু করেছে ভেবেছে বোধহয়, সত/সশন্দরের এখন মাঁ্তজ্ক 1বকার--তাই যা খুশী বলে বোঝানো যাবে।

__ও*র হঠাৎ খুব মন খারাপ হয়ে ীগয়োছিল সোঁদনই চা পেয়োছিলেন যে ওর বাবার শরীর খারাপ, খুব কান্নাকাট কর- 1ছলেন।

আঃ, এইসৰ আজে বাজে কথা বলে কেন যে সময় নম্ট করছে।

২৮

এর চেয়ে অনেক দরকারী কথা জানার দরকার ছল প্রবীরের কাছে কাঁমশনের কাজ 1ক বন্ধ হয়ে গেছে? কিংবা নতুন চেয়ারম্যান [ঠিক করেছে ওরা ভাষা কাঁমশনের চেয়ারম্যান হিসেবে সত্যসুন্দরের নাম পালামেন্টে ঘোষণা করা হয়োছল তাঁর মৃত্যুর আগেই তাঁকে সরাতে গেলে আইন ঘাঁটিত কহ গোলমাল দেখা দেবে বোধহয় সত্যসুন্দরের ক্ষমতা থাকলে তান পদত্যাগ পন্ন. অবশ'ই 'লখে দিতেন

এইসব কথা 1কছুই বলে না কেন এরা? সন্ধ্যেবেলা অনেক গণ্যমান্য লোক এসোছলেন তাঁকে দেখতে তাঁর মধ্যে একজন আবার মন্ত্রী নানারকম মন্তব্য করলেন সকলে, কিন্তু কামিশনের কাজের কথা কেউ উচ্চারণ করেন ীন। ভেবোছলেন বোধহয়, এই সনয় আফসের কাজকর্মের কথা শুনলে সত্যসুন্দরের মাথার ওপরে আরও চাপ পড়বে বা9 অফ ফলস +বরান্ততে সত্াসন্দর চোখ বন্ধ করে?ছলেন তখন

এখন বুঝতে পারছেন, প্রবীর কেন এত রা॥ত্তর পযন্ত এখানে আছে অন্য সময় বহু লোকজনের ভিড়, প্রবীর এক? িনরালা খু'জাছল সে তার মনের ভাব লাঘব করতে চায়।

প্রবীর বললো, আমাব মনে কোনো পাপ ছল না, আপাঁন বাস করুন লীলা দও আপনাকে এত বেশী ভান্ত করেন

এর। সত্যসুন্দরকে ঈষকাতর সাধারণ মানুষ মনে করে? তাঁর স্ত্রা অন্য কার বুকে মাথা রেখেছে 1কম্বা চুম্বন করেছে, তাতেই তান রকম হয়ে পড়বেন 2 এমন কি ওরা এক বিছানায় শুলেই বা যেত আসতো 2 তান জানেন, অমৃত কখনো উচ্ছিষ্ট হয় না। আনন্দ মানুষকে খুজে নিতে হয়। সাধারণ মানুষরা নার? সম্পকে ঈষাঁ করে আনন্দ পায়। সত্যসন্দর অসাধারণ !

তা ছাড়া 'তনি আগেই লক্ষ্য করেনান লৰলা আর প্রবীরের ঘানজ্ঞতা 2 যে এক সঙ্গে সনেমা দেখতে যাওয়া, পরস্পরের [দকে গাঢ় চোখে তাকানো, নানা ছুতোয় হাত ছোওয়া--এর মানে

২৪

তান বোঝেন না? তানি সঙ্ঞানে এর প্রশ্রয় ?দয়েছেন।

লীলাকে আনন্দ দেবার জন্য তান কোনো ত্রুটি রাখেনানি। নানারকম অলংকার সংগ্রহের মতন সে যাঁদ দু" একটি প্রোমকও জুাটয়ে নেয়, তাতে আপাতত করার তো নেই। তিনি তাঁর [নজের প্রাপ্য ঠিকই পেয়েছেন লীলার কাছ থেকে তানি আনন্দ পেয়েছেন 1ব*বাস-আঁবশ*বাসের প্রশ্বই আসে না এখানে

ডাক্তারদের বা অন্যদের তো কেউ কিছ বলোন। প্রবীর আর লীলাই শুধু ভাবছে তাদের ঘাঁনষ্ঠ দৃশ্যটা দেখে ফেলার জন্যই তিন এরকম অস:চ্থ হয়ে পড়েছেন তাঁর ক্ষমতা থাকলে 1তাঁন চৎকার করে এর প্রাতবাদ করতেন। হতেই পারে না! তাঁর অসুখের সঙ্গে এর কোনো সম্পকই নেই তাঁর মাথার মধ্যে যে চিনাচনে ব্যথাটা ছিল, সেটা আসলে করোনার আযাটাকের পর্ব লক্ষণ ব্যাপারটা কাকতালীয়বং এক সঙ্গে ঘটেছে এই বেচারা দুজনকে মানাসক 'লান থেকে তান মযান্ত দিতে চান।

আসলে [তিনি তাঁর শরীরের কাছে হেরে গেছেন মনের জোর দিয়ে তান সব কছু জয় করতে পারতেন, শুধু ।এই অসখটাকে থামাতে পারলেন না।

কার পায়ের শব্দ পেলেন। আর একজন কে দাঁড়ালো তাঁর মাথার কাছে ঘাড় ঘোরাতে পারছেন না বলে দেখতে পাবেন না। কন্তু তাঁর শ্রবণ শান্ত এখন অসম্ভব বেড়ে গেছে! অন:ভূতিও তীক্ষন